Claim
গুলশানে খুটির সাথে বেধে এক হিন্দু নারীকে ঠান্ডা পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয় দাবিতে একটি ভিডিও প্রচার করা হয় দেশীয় ও ভারতীয় বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। দাবি করা হয় জামায়াত-ই-ইসলাম বাংলাদেশের কিছু সদস্য নারীটিকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। কারণ হিসেবে দাবি করা হয় নির্যাতিত নারীটি একজন হিন্দু। ভিডিওগুলো দেখুন এখানে, এখানে ও এখানে।


নিউজচেকার যাচাই করে দেখেছে দাবিটি মিথ্যা।
Fact
গুলশানে এক হিন্দু নারীকে কতিপয় জামায়াত-ই-ইসলাম বাংলাদেশের সদস্যরা তুলে নিয়ে কনকনে শীতের মধ্যে ঠান্ডা পানি ঢেলে নির্যাতন করে। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করতে আমরা প্রাথমিকভাবে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিবেদন খুজে পাই।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গুলশানের নর্দা এলাকায় মারকাজুত তা’লীম আল ইসলামী মাদ্রাসার সামনে ঘটনাটি ২ জানুয়ারি শুক্রবার এর।
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ঘটনাটির সাথে জড়িত ৫ জন ব্যক্তি ঐ মাদ্রাসারই শিক্ষার্থী। তারা মহিলাটিকে চোর সন্দেহে আটক করে পরবর্তীতে এই ঘটনাটি ঘটায়। প্রতিবেদন দেখুন এখানে- দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও এখন টিভি।
নির্যাতনের শিকার মহিলার ধর্মীয় পরিচয় নিশ্চিত করতে আমরা গুলশান থানার অফিসার ইন চার্জ মাহমুদুর রহমানের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায় মহিলাটি হিন্দু নয়। এবং অভিযুক্ত ৫ জন জামায়াত-ই-ইসলাম বাংলাদেশের সদস্য নয়। বরং ৫ জনেত তিন জনই অপ্রাপ্ত বয়স্ক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী।
সুতরাং, ভাইরাল দাবিগুলো সত্য নয়।
Result: False
Our Sources:
গুলশান থানার ওসির সাথে কথোপকথন



