Fact Check
Fact Check: ভাইরাল ভিডিওটি কি দিপু চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পূর্বের ভিডিও? জানুন বিস্তারিত

Claim
দিপু চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পূর্বের ভিডিও দাবিতে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পুলিশ একটা ছেলেকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে এই ছেলেটি দিপু চন্দ্র দাস এবং এটি তার মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তের ভিডিও।
ভিডিওটি দেখুন এখানে।

Fact
দিপু চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পূর্বে শেষ ভিডিও দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে আমরা প্রাথমিকভাবে রিভার্স ইমেজ সার্চ পরিচালনা করি।
অনুসন্ধানে আমরা সাদৃশ্যপূর্ণ একাধিক ভিডিও প্রতিবেদন পাই যেখানে দাবি করা হয় ভিডিওর ব্যক্তিটি ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী, দিপু চন্দ্র দাস নয়।
দেখুন এখানে – দৈনিক সকাল ও দৈনিক মানবদেশ।


ভিডিওগুলোতে দেখা যায় তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ধানমন্ডি-৩২ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে৷ পুলিশের পরিহিত পোশাকটি ডিএমপি’র পোশাক।
পক্ষান্তরে, নিহত দিপু চন্দ্র দাসের ঘটনাটি ময়মনসিংহের।
অপর এক ভিডিওতে শীক্ষার্থীকে নিজের নাম আব্দুল মোমিন বলে পরিচয় দিতে দেখা যায়। এবং সে নিজেকে ঢাকা কলেজের শীক্ষার্থী দাবী করে। দেখুন এখানে।
গত ১৭ই ডিসেম্বর হাসিনার ফাসির রায়ের দিন বিক্ষুদ্ধ জনতা ধানমন্ডি-৩২ আরেক দফায় ভাংতে গেলে সেখানে তাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। দেখুন এখানে- এটিএন নিউজ ও বণিক বার্তা।
উল্লেখ্য, গত ১৮ই ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার সন্ধায় ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু চন্দ্র দাস নামের এক পোশাক কারখানা শ্রমিককে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হত্যা করা হয়। যদিও র্যাব বলছেন এমন কোন অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় নি। প্রতিবেদন দেখুন এখানে- বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
এছাড়াও আমরা ঘটনার নিশ্চয়তা জোরদার করার জন্য এআইজি জনাব শাহাদাত হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ঘটনায় থাকা ব্যাক্তিটি দিপু চন্দ্র দাস নয়, এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পোশাক দেখে নিশ্চিত হওয়ায় যায় গ্রেফতারের ঘটনাটি ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার।
অতএব, ধর্ম অবমাননার দায়ে নিহত দিপু চন্দ্র দাসের মৃত্যুর পুর্বে শেষ ভিডিও ভাইরাল দাবিটি সত্য নয়।
Result: False
Our Sources:
Telephonic conversation with AIG Shahadat Hossain
দৈনিক সকাল ও দৈনিক মানবদেশ।


